দলবদল ও মনোনয়ন লাভ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা মো. হাসানুল ইসলাম রাজা বিএনপির মনোনয়ন না পাওয়ায় রাজনৈতিক কৌশল পরিবর্তন করে গণঅধিকার পরিষদে যোগদান করেন। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাত ৯টার দিকে ঢাকার কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর (ভিপি নূর) এবং কেন্দ্রীয় মুখপাত্র ফারুক হাসানসহ শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে তিনি দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) চাটমোহর উপজেলা কমিটির সাবেক সভাপতি সোহানুর রহমান সাদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রাজা পাবনা-৩ আসনে (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) ট্রাক প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে লড়বেন।
বিএনপি থেকে বিচ্ছেদ দলীয় সূত্রে জানা যায়, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর হাসানুল ইসলাম রাজা বিএনপির প্রতীক 'ধানের শীষ'-এর পক্ষে এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণা চালান। একই সময়ে তিনি এলাকায় ঘুষ, দুর্নীতি, অনিয়ম, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নেন, যা স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনার জন্ম দেয়। তবে, পাবনা-৩ আসনে বিএনপি কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি হাসান জাফর তুহিনকে প্রার্থী ঘোষণা করলে রাজা প্রকাশ্যে আন্দোলনে নামেন। দলের অভ্যন্তরে বারবার দাবি উত্থাপন করেও শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন না পাওয়ায় তিনি ভিন্ন রাজনৈতিক পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেন।
অতীতের নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার আগেই তিনি সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুসা নাসের চৌধুরীর কাছ থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্রও সংগ্রহ করেছিলেন। এর আগে ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও হাসানুল ইসলাম রাজা পাবনা-৩ আসনে সিংহ প্রতীকে স্বতন্ত্র/বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে প্রায় সাত হাজার ভোট পেয়েছিলেন।
এ বিষয়ে মো. হাসানুল ইসলাম রাজার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পেলে তা সংযোজন করা হবে।