কাজের সময় নিয়ে কিয়ারার স্পষ্ট বার্তা
অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানি কর্মক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রাখার পক্ষে সওয়াল করলেন। সন্দীপ রেড্ডি ভাঙার 'স্পিরিট' এবং নাগ অশ্বিনের 'কাল্কি ২৮৯৮ এডি'-র সিক্যুয়াল থেকে দীপিকা পাড়ুকোন আট ঘণ্টার কাজের শিফটের শর্ত দেওয়ায় সরে দাঁড়ানোর পর থেকেই বলিউডে এই বিষয়টি নিয়ে তীব্র আলোচনা চলছে। এই বিতর্কের মাঝে কিয়ারা স্পষ্ট করলেন যে অতিরিক্ত কাজ বা 'বার্নআউট' (burnout) কোনো শিল্পের পক্ষেই ইতিবাচক নয়।
ভোগ ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কিয়ারা বলেন, "বার্নআউট কারও উপকার করে না। অতিরিক্ত পরিশ্রম করে শেষ পর্যন্ত লাভের লাভ কিছুই হয় না।" তিনি জানান, তার জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি বিষয় হলো—মর্যাদা (dignity), ভারসাম্য (balance) ও সম্মান (respect)। কাজের ক্ষেত্রে মানসিক সুস্থতা বজায় রাখার গুরুত্বের উপর তিনি জোর দিয়েছেন।
মাতৃত্ব ও শারীরিক গঠন প্রসঙ্গে কিয়ারা
মাতৃত্ব প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে অভিনেত্রী জানান, মা হওয়ার পর তিনি নিজের শরীরের দিকে তাকিয়ে উপলব্ধি করেছেন যে, একটি মানবসন্তান তৈরি করার অভিজ্ঞতার কোনো তুলনা নেই। কিয়ারা আরও বলেন, ভবিষ্যতে তার শরীরের গঠন যেমনই হোক না কেন, তিনি সবসময় নিজের শরীরকে সম্মান জানাবেন। এটি একজন নারীর শারীরিক পরিবর্তনের প্রতি তার ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিকেই তুলে ধরে।
দীপিকার সিদ্ধান্ত ও বিতর্ক
উল্লেখ্য, দিনে আট ঘণ্টার বেশি কাজ না করার শর্ত দেওয়ায় 'স্পিরিট' সিনেমা থেকে দীপিকাকে বাদ দেওয়ার খবর সামনে আসার পরই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়। পরে দীপিকা জানান, নারী হিসেবে তার এই সিদ্ধান্তকে চাপ বা সমস্যা হিসেবে দেখা হলেও তিনি নিজের অবস্থানে অনড় থাকবেন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কিয়ারা আদভানির মতো অভিনেত্রীর সমর্থন কর্মক্ষেত্রে সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তাকে আরও জোরালো করল।