রিশাদের মিডল অর্ডার ধস ও পার্থের ইনিংস টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেয় হোবার্ট হারিকেন্স। শুরুতেই রাইলি মেরিডিথ মিচেল মার্শকে দ্রুত ফিরিয়ে দিয়ে পার্থের ইনিংসে চাপ সৃষ্টি করেন। এরপর ম্যাচে নিজের প্রভাব বিস্তার করেন বাংলাদেশি স্পিনার রিশাদ হোসেন। কুপার কনলিকে ফেরানোর মাধ্যমে তিনি উইকেটের খাতা খোলেন এবং একে একে পার্থ স্কোর্চার্সের মিডল অর্ডারকে থামিয়ে দেন। ফিন অ্যালেন ৪৩ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও, তাঁকে ফেরান মিচেল ওয়েন। এরপর অ্যারন হার্ডিকে দ্রুত সাজঘরে পাঠান রিশাদ, এবং লরি ইভান্সের উইকেটও তুলে নেন এই লেগ স্পিনার। ইভান্স আউট হওয়ার আগে নিক হবসনের সঙ্গে ২৪ বলে ৪৫ রানের একটি ঝড়ো জুটি গড়েন। শেষ পর্যন্ত পার্থ স্কোর্চার্স ১৫১ রানেই থেমে যায়। রিশাদ তাঁর ৪ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে নেন ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। মেরিডিথ দুটি উইকেট নেন, আর নাথান এলিস, ওয়েন এবং রেহান আহমেদ একটি করে উইকেট শিকার করেন।
হোবার্টের ঠান্ডা মাথার রান তাড়া ১৫২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অবশ্য হোবার্ট হারিকেন্স খুব ভালো শুরু করতে পারেনি। দুই ওপেনার দ্রুত ফিরে গেলে ৩৯ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে দলটি চাপে পড়ে। তবে একপ্রান্ত ধরে রেখে নিখিল চৌধুরি ৩০ বলে ৩৪ রান করে ইনিংসকে স্থিতিশীলতা দেন। এরপর টিম ডেভিড তাঁর স্বভাবসুলভ ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ২৮ বলে ৪২ রান করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের দিকে নিয়ে নেন। শেষদিকে ম্যাকেলিস্টার রাইট মাত্র ১৩ বলে অপরাজিত ২২ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলেন। তাঁর এই ইনিংসে ভর করে হোবার্ট হারিকেন্স ৩ বল হাতে রেখেই ৪ উইকেটে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়।