নোয়াখালী এক্সপ্রেসের ইনিংস: ১৪৩/৭ (২০ ওভার)
সিলেটের মাঠে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে দলটি ১৪৩ রান সংগ্রহ করে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ অপরাজিত ৬১ রানের একটি চমৎকার ইনিংস খেলেন অঙ্কন। এই মাঝারি পুঁজি নিয়ে নোয়াখালী বোলিংয়ে নামে।
সিলেট টাইটান্সের ইনিংস: ১৪৪/৯ (২০ ওভার)
নোয়াখালীর দেওয়া ১৪৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে একসময় জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে যায় সিলেট টাইটান্স। কিন্তু শেষ তিন ওভারের উত্তেজনা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ১৮তম ওভার শুরুর আগে সিলেটের প্রয়োজন ছিল ২৪ রান।
রানার অবিশ্বাস্য হ্যাটট্রিক
নোয়াখালীর বোলার মেহেদি হাসান রানা ১৮তম ওভারে এসে এক অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্স দেখান। মাত্র ৫ রান খরচ করে তিনি তুলে নেন ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট, যা ছিল হ্যাটট্রিক। এতে ম্যাচের দৃশ্যপট দ্রুত পাল্টে যায়। পরের ১৯তম ওভারটি করেন হাসান, যেখানে তিনি মাত্র ৬ রান দেন। ফলে জয়ের সমীকরণ শেষ ওভারে দাঁড়ায় ১৩ রানে।
শেষ ওভারের এই কঠিন সমীকরণ মেলাতে সক্ষম হয় সিলেট। এক ছক্কা এবং এক চারের সাহায্যে শেষ ওভারে প্রয়োজনীয় রান তুলে নিয়ে তারা ৯ উইকেট হারিয়ে কষ্টার্জিত জয় নিশ্চিত করে।