বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেছেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি স্বাভাবিক, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্যই তাদের আন্দোলন-সংগ্রাম ছিল।
সোমবার (৪ জানুয়ারি) বিকেলে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার উত্তর জয়পুর ইউনিয়নে বিএনপির প্রয়াত নেতাকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য প্রয়াত ব্যক্তিদের কবর জিয়ারত শেষে নির্বাচনী হালচাল নিয়ে কথা বলার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।
খালেদা জিয়ার ত্যাগ ও গণতন্ত্রের লড়াই শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এসময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন, মিথ্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারারুদ্ধ ছিলেন। অসুস্থ অবস্থায় জেল থেকে বেরিয়েও তিনি সুস্থ হননি। নির্বাচন ও ভোটের জন্য সংগ্রাম করে তিনি শেষ পর্যন্ত ইন্তেকাল করেন। তিনি আপোষহীন নেত্রী ছিলেন এবং গণতন্ত্রের জন্য নিরন্তর লড়াই করেছেন। সারাবিশ্বে তিনি সম্মানিত ও শ্রদ্ধার জায়গায় রয়েছেন।
জনসংযোগে সাড়া ও কর্মীদের প্রতি নির্দেশনা নির্বাচনী প্রচারণায় জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া পাওয়ার কথা জানিয়েছেন এ্যানি। তিনি বলেন, "আমরা প্রত্যেক মানুষের বাড়িতে যাচ্ছি। ভোট চাওয়ার মাধ্যমে আমরা সাড়া পাচ্ছি।" এসময় তিনি নেতাকর্মীদের প্রতি কঠোর নির্দেশনা দেন—বাড়িতে বাড়িতে, ঘরে ঘরে সবার কাছে গিয়ে ভোটের জন্য কাজ করতে হবে। বিশেষত মা-বোন, মুরুব্বি ও তরুণ সমাজের কাছে ভোট চাইতে আহ্বান জানান তিনি।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বাবার কবর জিয়ারত ঐক্যের বার্তা দিতে শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এই কবর জিয়ারতের সময় একটি তাৎপর্যপূর্ণ কাজ করেন। তিনি তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াত নেতা রেজাউল করিমের বাবা হোছাইন আহমদের কবরও জিয়ারত করেন।
উপস্থিত অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি নেতা আবুল হাশেম, চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি এম বেলাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক এম ইউছুফ ভূঁইয়া, জেলা কৃষকদলের সহসভাপতি বদরুল ইসলাম শ্যামল, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল ও লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল্লাহ আল খালেদ প্রমুখ।