জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ন্যায়ভিত্তিক ও নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ঝালকাঠিতে যাত্রা শুরু করেছে তরুণদের সৃজনশীল প্ল্যাটফর্ম 'ইনসাফ মঞ্চ'।
আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে ঝালকাঠি কালেক্টরেট চত্বরে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ এবং জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভের পাদদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। যাত্রালগ্নে ঘোষণাপত্র পাঠ, মিলাদ মাহফিল, পাঠচক্রের মতো বুদ্ধিবৃত্তিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির নৃশংস হত্যার বিচারের দাবিতে প্রতীকী প্রতিবাদ কর্মসূচিও পালন করে ইনসাফ মঞ্চের সদস্যরা। এই অনুষ্ঠানের ঐতিহ্যবাহী রীতি অনুযায়ী উপস্থিত সবার মাঝে মুড়ি ও বাতাসা বিতরণ করা হয়।
উদ্দেশ্য ও আদর্শ ইনসাফ মঞ্চের অন্যতম উদ্যোক্তা খালেদ সাইফুল্লাহ এই প্রসঙ্গে বলেন, "জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের শিখিয়েছে অন্যায়ের সঙ্গে কোনো আপস করা চলবে না। আর শহীদ ওসমান হাদি শিখিয়েছেন ইনসাফ বা ন্যায় প্রতিষ্ঠায় নির্ভীকভাবে দাঁড়াতে হয়। সেই আদর্শকে সামনে রেখেই ঝালকাঠির তরুণদের বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশের জন্য একটি সংগঠিত প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ইনসাফ মঞ্চের যাত্রা শুরু হলো।"
তিনি আরও বলেন, তাদের কাছে প্রতিবাদ কেবল স্লোগানেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং প্রতিবাদ মানে চিন্তার জাগরণ, একটি নৈতিক অবস্থান এবং দায়িত্বশীল সামাজিক ভূমিকা পালন করা। ইনসাফ মঞ্চ এই দায়িত্ববোধ থেকেই এলাকার তরুণদের ঐক্যবদ্ধ করতে আগ্রহী।
সাংস্কৃতিক বিপ্লবের বার্তা অন্য আরেক উদ্যোক্তা নাজমুল হাসান টিটু বলেন, শহীদ ওসমান হাদি জুলাই বিপ্লবের একজন পরীক্ষিত ও বিশুদ্ধ আদর্শের প্রতীক ছিলেন। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে বিদেশি আধিপত্যবাদ থেকে দেশকে মুক্ত করতে হলে সাংস্কৃতিক বিপ্লব অপরিহার্য। তিনি ইনসাফের যে বীজ বপন করে গেছেন, এখন সেই বীজ লালন করে ফসল ঘরে তোলার সঠিক সময়। তিনি ইনসাফ মঞ্চের এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে উদ্যোক্তাদের অভি