ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে লড়তে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ১৪টিতে প্রার্থী দিয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি ও বাকলিয়া) আসনে প্রার্থী হয়েছেন চিকিৎসক একেএম ফজলুল হক। পেশায় চিকিৎসক হলেও তিনি তাঁর আয়ের উৎস দেখিয়েছেন ব্যবসা ও চাকরিজীবী হিসেবে।
কোটি টাকার সম্পদের হিসাব হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, জামায়াত মনোনীত এই প্রার্থী একজন কোটিপতি। তিনি নিজের প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের হিসাব দিয়েছেন। তাঁর স্ত্রী আমেনা শাহীনের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের হিসাবও সাড়ে ৪ কোটি টাকার বেশি।
ব্যক্তিগত সম্পদের মধ্যে তাঁর হাতে নগদ আছে ১৭ লাখ ১৩ হাজার ৮১২ টাকা এবং স্ত্রীর হাতে নগদ ৪৫ লাখ ৩৩ হাজার ২৩৫ টাকা। এছাড়াও তাঁর বন্ড, শেয়ার ও ঋণপত্র রয়েছে ৪ কোটি ৬ লাখ ৯৪ হাজার ২৭০ টাকার, এবং স্ত্রীর আছে ১ কোটি ৩৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে তাঁর কৃষি জমির মূল্য ১ কোটি ৯৭ লাখ ৭১ হাজার ৬৩৯ টাকা।
পেশা ও আয়ের উৎস হলফনামা অনুযায়ী, একেএম ফজলুল হক বেসরকারি পার্কভিউ হাসপাতালের চেয়ারম্যান ও মেট্রোপলিটন হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তাঁর স্ত্রী আমেনা শাহীনও শিক্ষকতার পাশাপাশি মেট্রোপলিটন হাসপাতালের পরিচালক। এমবিবিএস ডিগ্রিধারী হওয়া সত্ত্বেও তিনি আয়ের উৎস হিসেবে চিকিৎসা পেশার কথা উল্লেখ না করে নিজেকে ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবী হিসেবে দেখিয়েছেন। ব্যবসা থেকে তাঁর বছরে আয় ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং চাকরি থেকে আয় ৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
মনোনয়ন বাতিল এবং আপিল প্রস্তুতি প্রার্থী ফজলুল হকের যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ছিল, যা তিনি গত ২৮ ডিসেম্বর ত্যাগ করেছেন বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন। তবে, তিনি এর স্বপক্ষে কোনো কাগজপত্র জমা দিতে পারেননি। এই কারণে নির্বাচন কমিশন তাঁর মনোনয়ন বাতিল করে দেয়। কমিশন কর্তৃক মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় একেএম ফজলুল হক এ