তারকাবহুল সিরিজে নবীন-প্রবীণদের সমাহার
চরকির এই অরিজিনাল সিরিজটির নাম 'আঁতকা'। সিরিজটি মূলত ফ্যামিলি ড্রামা হলেও এতে হরর ও কমেডির মজার মিশেল রয়েছে। সিরিজের গল্পকার হিসেবে কাজ করেছেন ইনফ্লুয়েন্সার ও লেখক রাবা খান। গল্প, চিত্রনাট্য ও সংলাপ—সবকিছুতেই রয়েছে তাঁর মুন্সিয়ানা। গল্পকার ও নির্মাতা হিসেবে এটি তাঁদের প্রথম সিরিজ। পরিচালক আরাফাত মহসীন নিধি জানান, ছোটবেলায় যাদের পর্দায় দেখেছেন, তাদের নিয়ে মাল্টি-কাস্টিং প্রজেক্ট করার স্বপ্ন ছিল তাঁর। সেই স্বপ্ন থেকেই এই বিশাল কাস্টিং।
'আঁতকা' নামের রহস্য
সিরিজের অদ্ভুত নাম 'আঁতকা' প্রসঙ্গে রাবা খান ও পরিচালক নিধি জানান, 'আঁতকা' খুবই লোকাল একটি শব্দ, যার অর্থ আচমকা। তাঁরা নিজেরাও কথা বলার সময় প্রায়ই এ শব্দটি ব্যবহার করেন। তাই নানা আলোচনা ও যুক্তির পর এ নামটিই চূড়ান্ত করা হয়।
শুটিং সেটের মজার অভিজ্ঞতা
শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে সাবেরী আলম বলেন, “একটি ইমোশনাল দৃশ্যে আমি তুষার ভাইয়ের (তুষার খান) বড় ভাইয়ের স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করছিলাম। কিন্তু ভুল করে আমি তাঁকে নিজের স্বামী ভেবে অভিনয় শুরু করি, যা নিয়ে খুব হাসাহাসি হয়।” এ প্রসঙ্গে আবুল হায়াত মজা করে যোগ করেন, “নাটকে তো আসলে তুষার স্ত্রী পায় না। এখানে স্ত্রী পেয়ে সে কনফিউজড হয়ে গেছে।”
রোজী সিদ্দিকী জানান, শুটিং সেটে তারা এতটাই হাসাহাসি করতেন যে পরিচালক বাধ্য হয়ে তাদের থামতে বলতেন। প্রবীণ অভিনেতা আবুল হায়াতের সঙ্গে প্রথম দৃশ্যে অভিনয়ের কথা ভেবে আগের রাতে জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিলেন তরুণ অভিনেতা আরশ খান। আরশ বলেন, “আবুল হায়াত আমার কাছে ‘দ্য আবুল হায়াত’। সিনটা কীভাবে করব ভেবেই জ্বর চলে এসেছিল।”
সুনেরাহ-আরশের পরস্পরের প্রশংসা
শুটিং অভিজ্ঞতা নিয়ে সুনেরাহ বিনতে কামাল সম্পর্কে আরশ খান বলেন, “শুটিংয়ে গিয়ে বুঝলাম সুনেরাহ খুব ‘পোংটা’ বা চঞ্চল চরিত্রেও দারুণ অভিনয় করতে পারে।” অন্যদিকে সুনেরাহ বলেন, “আরশ যে সেটে গিয়ে সব ভুলে শুধু অভিনয়ে মন দিতে পারে, এটা আমার জানা ছিল না।”
চরকি সিইও'র প্রত্যাশা
চরকির সিইও রেদওয়ান রনি বলেন, “নতুন বছরে দর্শকরা যেন পারিবারিক গল্পের সঙ্গে একটু ফান এবং হরর ফিল পায়, সেই ভাবনা থেকেই ‘আঁতকা’র আগমন।” সিরিজটিতে আরও অভিনয় করেছেন মৌসুমী নাগ, সোহেল মণ্ডল, ফারিহা রহমান, মুকুল সিরাজ, সুমন আনোয়ার, তন্ময় পারভেজসহ অনেকে।