দুর্ঘটনার সূত্রপাত ও হতাহতের ঘটনা
গত ২৭ সেপ্টেম্বর তামিলনাড়ুর কারুরে থালাপতি বিজয়ের রাজনৈতিক দল টিভিকের প্রথম বিশাল সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রিয় অভিনেতাকে এক নজর দেখতে সেখানে জনতার ঢল নামে। কিন্তু সেই উপচেপড়া ভিড় সামলাতে পুলিশ ও আয়োজকরা পুরোপুরি ব্যর্থ হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট হওয়ার মতো মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। এই দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ৪১ জনের করুণ মৃত্যু হয় এবং শতাধিক মানুষ গুরুতর আহত হন।
সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ ও সিবিআই তদন্ত
সমাবেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও অব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন ওঠায় গত অক্টোবর মাসেই ভারতের সুপ্রিম কোর্ট নড়েচড়ে বসে। বিচারপতি জেকে মহেশ্বরী এবং এনভি আঞ্জারিয়ার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ ঘটনার গভীরতা বিবেচনা করে তদন্তের ভার সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই)-এর হাতে অর্পণ করে। তদন্ত প্রক্রিয়া স্বচ্ছ রাখতে সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অজয় রাস্তোগির নেতৃত্বে দুজন দক্ষ আইপিএস অফিসারসহ তিন সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
রাজনৈতিক জীবনের শুরুতেই বড় চ্যালেঞ্জ
সিনেমার জগত থেকে রাজনৈতিক ময়দানে পা রাখার শুরুতেই এমন আইনি জটিলতা থালাপতি বিজয়ের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। সিবিআই মূলত তদন্ত করে দেখতে চাইছে সেই দিনের আয়োজনে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কী কী ঘাটতি ছিল এবং আয়োজক হিসেবে বিজয়ের দলের দায় কতটুকু। আগামী সোমবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হয়ে বিজয় তার অবস্থান কতটা পরিষ্কার করতে পারেন, সেদিকেই এখন তাকিয়ে আছে গোটা ভারত।