আসন্ন নির্বাচনে নির্বাচনী এলাকা ৮৯ যশোর -৫ আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী মাওলানা রশীদ বিন ওয়াক্কাসের বিজয় সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১নং রোহিতা ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ে এক বিশেষ সাংগঠনিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভা থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনী 'ক্যাম্পেইন'-এ নামার জন্য তৃণমূলের প্রতি কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ঐক্যের বার্তা ও রণকৌশল নির্ধারণ
বিশেষ এই আলোচনা সভায় জোটের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয় যে, আসন্ন নির্বাচনে জয় পেতে প্রতিটি বুথ পর্যায়ে শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো তৈরি করতে হবে। স্থানীয় ‘ইউনিয়ন অ্যালায়েন্স’ (Union Alliance) কীভাবে ভোটারদের কাছে প্রার্থীর বার্তা পৌঁছে দেবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত 'স্ট্র্যাটেজি' (Strategy) নির্ধারণ করা হয়। সভায় উপস্থিত নেতারা জোর দেন যে, শুধু কেন্দ্রীয় নির্দেশনার অপেক্ষায় না থেকে স্থানীয় নেতৃত্বকে সক্রিয়ভাবে প্রচারাভিযানের নেতৃত্ব দিতে হবে। বিশেষ করে নতুন ভোটার ও নিরপেক্ষ ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর জন্য একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনাও তৈরি করা হয়।
উপস্থিত ছিলেন যারা
১নং রোহিতা ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারীদের মধ্যে ছিলেন মণিরামপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক। যুব ও ছাত্র রাজনীতির মূল নেতৃত্বকে সক্রিয় করতে উপস্থিত ছিলেন যুব জমিয়ত বাংলাদেশ মণিরামপুর উপজেলা শাখার সদস্য সচিব মাওলানা হাসান আল মামুন, জাতীয়তাবাদী যুবদল মণিরামপুর উপজেলা শাখার সদস্য সচিব সাইদুল ইসলাম এবং জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল মণিরামপুর উপজেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম।
ধর্মীয় রাজনৈতিক অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, ১নং রোহিতা ইউনিয়ন শাখার আহ্বায়ক জনাব হাতেম আলী মোড়ল। এছাড়া ১নং রোহিতা ইউনিয়ন বিএনপি এবং এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের কার্যকরী কমিটির নেতৃবৃন্দও সভায় উপস্থিত থেকে প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন। নেতারা এই বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেন যে, জোটের প্রতিটি অংশকে সমন্বিত করে একটি শক্তিশালী 'পোলিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম' (Polling Management System) তৈরি করা হবে, যা নির্বাচনের দিন পর্যন্ত কাজ করবে।
ফোকাস: তৃণমূলের কার্যকারিতা
আলোচনা সভার মূল ফোকাস ছিল তৃণমূল পর্যায়ে কর্মসংগঠনকে আরও কার্যকর করে তোলা। নেতারা বলেন, ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের জয় কেবল কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে না, বরং নির্ভর করে রোহিতাসহ পুরো নির্বাচনী এলাকার প্রতিটি ইউনিয়নে আমাদের কর্মীদের সক্রিয়তা ও ঐক্যের উপর। সংগঠনকে ঢেলে সাজানো এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রার্থীর বার্তা পৌঁছে দেওয়ার উপর সর্বাধিক গুরুত্ব আরোপ করা হয়। সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয় মাওলানা রশীদ বিন ওয়াক্কাসের বিজয় নিশ্চিত করার দৃঢ় সংকল্প নিয়ে।