সীমান্ত এলাকায় অর্থনৈতিক উন্নতি ও সমৃদ্ধি ঘটানো সম্ভব হলে সীমান্তবর্তী এলাকায় হত্যা ও অপরাধের ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে। বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদরদপ্তরে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।
সীমান্ত হত্যা বন্ধে আলোচনা বিজিবি মহাপরিচালক জানান, সীমান্তে হত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)-এর সঙ্গে নিয়মিতভাবে আলাপ-আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, “সীমান্তে হত্যা বন্ধে আমরা বিএসএফের সঙ্গে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছি এবং আমাদের আলোচনা অব্যাহত আছে।”
অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিই মূল সমাধান সীমান্তে অপরাধ ও চোরাচালানের মূল কারণ হিসেবে দারিদ্র্যকে উল্লেখ করে বিজিবি প্রধান বলেন, সীমান্ত এলাকায় অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা গেলে, বিশেষ করে স্থানীয় মানুষের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান ও উন্নত জীবনধারণের সুযোগ তৈরি করা গেলে, এসব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা আপনা-আপনিই কমে আসবে। তিনি বিশ্বাস করেন, কেবল নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার না করে জীবনযাত্রার মান উন্নয়নই একটি দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী সমাধান দিতে পারে।
বিজিবি’র ভূমিকা ও চ্যালেঞ্জ মেজর জেনারেল আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী তার বক্তব্যে বিজিবি সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা, নিষ্ঠা ও দেশপ্রেমের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে এবং তারা দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সদা প্রস্তুত।