বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা-১২ আসনে বিএনপি সমর্থিত সংসদ সদস্য প্রার্থী সাইফুল হক মন্তব্য করেছেন যে, ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন ভূমিকা স্বৈরতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে দেশের জনগণকে সাহস যুগিয়েছে ও অনুপ্রাণিত করেছে।
ভোটাধিকার রক্ষায় অবিচল দৃঢ়তা সাইফুল হক বলেন, "বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন কখনো সহজ ছিল না। স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন থেকে শুরু করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই—সব ক্ষেত্রেই তাকে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছে।" তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, গণতন্ত্রের প্রশ্নে খালেদা জিয়ার এই অবিচল ও দৃঢ়চিত্ত অবস্থানই তাকে দেশের মানুষের কাছে 'আপসহীন নেত্রী' হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। রাজনৈতিক সুবিধা বা ব্যক্তিগত নিরাপত্তার চেয়ে তিনি দেশের মানুষের ভোটাধিকার এবং গণতন্ত্রের আদর্শকে ঊর্ধ্বে স্থান দিয়েছেন।
দক্ষিণ এশিয়ায় 'সাহসের প্রতীক' বিভিন্ন রাজনৈতিক বিশ্লেষকও মনে করেন, গণতন্ত্রের চরম সংকটের সময়ে রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে খালেদা জিয়া নিজেকে 'সাহস ও সংগ্রামের প্রতীক' হিসেবে তুলে ধরেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, 'দেশের বাইরে আমি যাবো না। কারণ দেশের বাইরে আমার কোনো ঠিকানা নেই।' এই বক্তব্য কেবল আবেগ ছিল না, বরং এটি ছিল তার রাজনৈতিক দর্শনের মূল প্রকাশ। তার এই দৃঢ়তা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদার প্রশ্নে কোনো আপস না করার সাহস যুগিয়েছে।
রাজনৈতিক উত্তরাধিকার সাইফুল হক তার বক্তব্যে খালেদা জিয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরেন, যেখানে তাকে একাধিকবার কারাবরণ করতে হয়েছে এবং গুরুতর অসুস্থতার মধ্যেও বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে হয়েছে। তার মতে, এত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তিনি পিছু হটেননি। তার এই সংগ্রামই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বড় উত্তরাধিকার, যা মানুষকে আত্মমর্যাদা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রামে উদ্বুদ্ধ করবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, খালেদা জিয়ার আদর্শ সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ধারণ করার মাধ্যমেই তার প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো সম্ভব।