লেক ব্যবস্থাপনায় সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রবিউল আলম লেক প্রসঙ্গে বলেন, লেক শুধু সৌন্দর্যের জন্য নয়, এটি মানুষের ব্যবহারের জায়গা। তবে এর ব্যবস্থাপনায় একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন। তিনি জানান, লেকের ইজারা নিয়ন্ত্রিত ও নিয়মের আওতায় থাকবে। প্রতিটি দোকান ও স্থাপনা নির্দিষ্ট নকশা ও বিধিমালা মেনে পরিচালিত হবে, যাতে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানুষ নিরাপদে সময় কাটাতে পারে।
ফুটপাত দখল উচ্ছেদ ও পুনর্বাসন ফুটপাত দখলের বিষয়ে তিনি কঠোর মনোভাব প্রকাশ করেন। রবিউল আলম বলেন, ফুটপাত পথচারীদের চলাচলের জন্য সংরক্ষিত। এখানে দোকান বসানো বা যানবাহনের দখল কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না এবং অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হবে। তবে জীবিকার বিষয়টি বিবেচনা করে পরিকল্পিতভাবে নির্দিষ্ট স্থানে সীমিত সংখ্যক দোকানের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। একইসাথে, অটোরিকশা চলাচলকেও নির্দিষ্ট রুট ও নিয়মের মধ্যে আনার কথা জানান এই প্রার্থী।
যানজট ও পার্কিং সংকট নিরসন হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকেন্দ্রিক যানজট ও পার্কিং সংকটকে একটি জটিল সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে রবিউল আলম বলেন, এই সমস্যাগুলোর সমাধানে সিটি করপোরেশন, ট্রাফিক পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন। নির্বাচিত হলে হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজস্ব পার্কিং ব্যবস্থা রাখতে বাধ্য করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা ও সাংবিধানিক সংস্কার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান নিয়ে নাগরিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শেখ রবিউল আলম অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে গত ১৭ বছরে রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়েছে। তিনি অঙ্গীকার করেন যে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বিচার বিভাগ, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী স্বাধীনভাবে কাজ করবে। রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধে প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংস্কার আনা হবে। এ সময় তিনি ‘জুলাই সনদ’ ও বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচির বাস্তবায়নের কথাও উল্লেখ করেন।
ধানমন্ডিকে বাসযোগ্য করার প্রতিশ্রুতি বিএনপি নেতা রবিউল আলম বলেন, ধানমন্ডিকে বাসযোগ্য ও নিরাপদ করতে রাজনীতিবিদ ও নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব নিতে হবে। তিনি জনগণের মতামত নিয়ে কাজ করার জন্য নিয়মিত উঠান বৈঠক করারও প্রতিশ্রুতি দেন।