উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে দুই দেশের ফোনালাপ
ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, গত সোমবার (তারিখটি যদিও আর্টিকেলটিতে নেই, তবে সূত্রমতে ১৩ জানুয়ারি প্রকাশিত) ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দার টেলিফোনে কথা বলেন। এই ফোনালাপ এমন এক সময়ে হলো, যখন ইরানে বিক্ষোভ ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
পাকিস্তানের মন্ত্রীর সংলাপে জোর
ইরনার রিপোর্ট অনুযায়ী, আলোচনার সময় পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে 'সংলাপ ও পারস্পরিক সম্পৃক্ততার গুরুত্বের' ওপর জোর দিয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, ইরান এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছে। তবে কূটনৈতিক ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় থেকে ইসলামাবাদ আপাতত নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখেছে।
মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান
একই দিনে পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অভিযোগ সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাখ্যান করেছে। ওই অভিযোগে বলা হয়েছিল, ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক হামলার জন্য পাকিস্তানকে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে। পাকিস্তানি গণমাধ্যমের খবরে মন্ত্রণালয় এ ধরনের দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেছে।
আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক উদ্বেগ
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ফোনালাপ ইঙ্গিত দেয় যে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি কতটা উত্তপ্ত। বিশেষ করে ইরানে চলমান অস্থিরতা ও আন্তর্জাতিক মহলে এর প্রভাব নিয়ে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা চলমান থাকা জরুরি। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক চাল।