মিন্টুর শোক ও সংহতি প্রকাশ বিএনপি নেতা আবদুল আউয়াল মিন্টু মঙ্গলবার দুপুরে ফেনীর দাগনভুঞা উপজেলার মাতুভুঞা ইউনিয়নের রামানন্দপুর গ্রামের জেলে বাড়ির কার্তিক দাস ও রিনা রানী দাসের পুত্র নিহত সমীর দাসের বাড়িতে যান। সেখানে তিনি সমীর দাসের পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং গভীর সমবেদনা জানান। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, যারা এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তাদের কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না।
দোষীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিতের দাবি মিন্টু সাংবাদিকদের জানান, তিনি প্রশাসনের সঙ্গে দ্রুত কথা বলবেন, যাতে প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হয় এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হয়। নিহত পরিবারকে সান্ত্বনা দিয়ে তিনি বলেন, “আমি সমীরের পরিবারকে কথা দিচ্ছি—কখনো তাদের ভুলব না। সামনে তো নির্বাচন, এর পরে আমি পরিবারটিকে যত প্রকার সহযোগিতা করা সম্ভব করব। এখানে হিন্দু-মুসলমান বলে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না।”
ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এ সময় মিন্টুর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দাগনভুঞা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব কামরুল উদ্দিন, সাবেক উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বদরুল নুরসী, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কবির আহমদ ডিপলু, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি মতিউর রহমান চৌধুরী পলাশ, ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি হারিছ আহমদ পেয়ারসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
সমীর দাসের মরদেহ উদ্ধার উল্লেখ্য, এর আগে গত সোমবার (১২ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে দাগনভূঞা থানাধীন সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ করিমপুর এলাকার মুহুরী বাড়ির পাশে পাকা রাস্তা সংলগ্ন একটি নিচু জমি থেকে সমীরের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।