• রাজনীতি
  • মুক্তিযুদ্ধ ও সার্বভৌমত্বে আপস নয়, ভোটের মাধ্যমে ‘বাংলাদেশপন্থি’ শক্তিকে প্রতিষ্ঠার ডাক ইশরাকের

মুক্তিযুদ্ধ ও সার্বভৌমত্বে আপস নয়, ভোটের মাধ্যমে ‘বাংলাদেশপন্থি’ শক্তিকে প্রতিষ্ঠার ডাক ইশরাকের

রাজনীতি ১ মিনিট পড়া
মুক্তিযুদ্ধ ও সার্বভৌমত্বে আপস নয়, ভোটের মাধ্যমে ‘বাংলাদেশপন্থি’ শক্তিকে প্রতিষ্ঠার ডাক ইশরাকের

যারা স্বাধীনতা অস্বীকার করে, তাদের দেশে থাকার নৈতিক অধিকার নেই: জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের পরিচিতি সভায় বিএনপি নেতা

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও মহান মুক্তিযুদ্ধ প্রশ্নে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণের কথা জানিয়েছেন ঢাকা-৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এবং জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ভোটের মাধ্যমেই বাংলাদেশপন্থি শক্তিকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাজধানীর ওয়ারিতে তার নির্বাচনী কার্যালয়ে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের পরিচিতি সভায় তিনি এই কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন।

মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নে জিরো টলারেন্স ইশরাক হোসেন তার বক্তব্যে স্পষ্ট করে বলেন, যারা মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করে, তারা মূলত স্বাধীন বাংলাদেশকেই অস্বীকার করে। যারা এই স্বাধীন বাংলাদেশকে মানতে রাজি নয়, তাদের এই দেশে থাকারও কোনো নৈতিক অধিকার নেই। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘যখন আমরা শুনি মুক্তিযুদ্ধ ভুল ছিল, তখন আর কতদিন সহ্য করব? এটি যদি তাদের রাজনৈতিক বয়ানে পরিণত হয়, তবে তা কোনো দুর্ঘটনা নয়, বরং বিশ্বাসে পরিণত হয়।’ মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নে তাদের অবস্থান 'জিরো টলারেন্স'।

গণঅভ্যুত্থান ও ‘নতুন রিপাবলিক’ বিতর্ক বিএনপির এই নেতা অভিযোগ করেন, একটি মহল যারা একাত্তরে বাংলাদেশকে চায়নি, তারা এখন রাজনীতিতে ফিরে এসে ভোটে নামছে এবং মুক্তিযুদ্ধকে মুছে ফেলার ব্যর্থ অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি বলেন, তারা ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেছিল। অথচ বাংলাদেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপি সেই গণঅভ্যুত্থানে সবচেয়ে বড় ও মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে।

তিনি আরও বলেন, এই মহলটি হঠাৎ করেই ‘নতুন রিপাবলিক’সহ নানা কথা বলছে এবং বিজয় দিবস (১৬ ডিসেম্বর) ও স্বাধীনতা দিবসকে (২৬ মার্চ) প্রশ্নবিদ্ধ করার দুঃসাহস দেখাচ্ছে। এমন বিষয় কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

সংবেদনশীল ভূখণ্ড বাংলাদেশ ইশরাক হোসেন দেশের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে বলেন, আজ বাংলাদেশ একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ভূখণ্ডে পরিণত হয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূরাজনৈতিক অঞ্চলে অবস্থানের কারণে দেশি-বিদেশি নানা শক্তি এই অঞ্চলে নিজেদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে।

এ সময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের সদস্য সচিব অ্যাড. কে এম কামরুজ্জামান নান্নুসহ সংগঠনটির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।

Tags: bnp bangladesh politics election nomination sirajganj-3 khandakar selim jahangir