কানাডার কড়া বার্তা ও কনস্যুলার সহায়তা কানাডা সরকার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, ইরানে ভ্রমণ বা অবস্থান করা বর্তমানে নিরাপদ নয়। দেশটিতে চলমান বিক্ষোভ, ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক উত্তেজনা এবং যেকোনো মুহূর্তে গ্রেপ্তারের ঝুঁকি থাকায় নাগরিকদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছে। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, কানাডা স্বীকার করে যে ইরানে তাদের কনস্যুলার সহায়তা দেওয়ার সক্ষমতা খুবই সীমিত। তাই নাগরিকদের যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদে ইরান ত্যাগ করা উচিত।
ফ্রান্সের সতর্কতা: বিক্ষোভ ও ঝুঁকি একইভাবে, ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও ইরানে অবস্থানরত ফরাসি নাগরিকদের সতর্ক করেছে। তাদের মতে, ইরানে চলমান অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভ এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ঘিরে আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি অস্থির ও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে। এর ফলে বিদেশিদের জন্য ঝুঁকির মাত্রা বহুগুণ বেড়েছে। ফরাসি নাগরিকদের অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলতে, যেকোনো ধরনের বিক্ষোভ বা জনসমাবেশ থেকে দূরে থাকতে এবং তেহরানে অবস্থিত ফরাসি দূতাবাসের নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলতে বলা হয়েছে।
আঞ্চলিক উত্তেজনায় বিদেশি নাগরিকদের শঙ্কা ইরানে নিরাপত্তা পরিস্থিতি যে দ্রুত অবনতির দিকে যাচ্ছে, সে বিষয়ে উভয় দেশই একমত পোষণ করেছে। দেশের অভ্যন্তরে চলমান বিক্ষোভ এবং একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মতো প্রভাবশালী দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের আঞ্চলিক সংঘাতের আবহ বিদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বড় ধরনের প্রশ্ন তৈরি করেছে। এর ফলে দেশত্যাগের নির্দেশনাকে জরুরি বলে মনে করছে পশ্চিমা দেশগুলো।
যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বান ও ইরানের অভিযোগ এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি বার্তা দিয়ে ইরানের জনগণকে তাদের বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, 'সহায়তা আসছে'। অন্যদিকে, ইরান বারবার অভিযোগ করে আসছে যে তাদের দেশের এই অস্থিরতা ও সহিংসতার পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের উসকানি রয়েছে। ইরানের দাবি, শুরুতে বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ থাকলেও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো পরে এতে সহিংসতা ছড়িয়ে দেয়।