• রাজনীতি
  • আপিলেও টিকল না ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের প্রার্থিতা: চট্টগ্রাম-৫ আসনে বড় ধাক্কা

আপিলেও টিকল না ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের প্রার্থিতা: চট্টগ্রাম-৫ আসনে বড় ধাক্কা

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৫ আসনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান। দলীয় মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষরে গরমিল থাকায় তার মনোনয়ন বাতিল হয়, যা আপিলেও টিকল না।

রাজনীতি ১ মিনিট পড়া
আপিলেও টিকল না ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের প্রার্থিতা: চট্টগ্রাম-৫ আসনে বড় ধাক্কা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৫ আসনে জাতীয় পার্টির (জেপি) একাংশের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের প্রার্থিতা আপিলেও বাতিল হয়েছে। দলীয় মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষরে গরমিল থাকার কারণ দেখিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা গত শনিবার তার মনোনয়ন বাতিল করেছিলেন। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের শুনানিতেও সেই আবেদন নামঞ্জুর হওয়ায় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে বড় ধরনের ধাক্কা খেলেন তিনি।

প্রার্থিতা বাতিল: কারণ ও আপিলের ফলাফল

শনিবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে মনোনয়ন যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের মনোনয়ন বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন। মনোনয়ন বাতিলের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়—দলীয় মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষরের সঙ্গে নির্বাচন কমিশন থেকে পাঠানো মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষরে মিল নেই। পরবর্তীতে প্রার্থিতা ফিরে পেতে তিনি নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ইসির আপিল শুনানিতেও তার প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার আবেদন নামঞ্জুর হয়।

মনোনয়নপত্র জমা, জেপি বিভাজন ও রাজনৈতিক ফ্রন্ট

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৫ আসনে প্রার্থী হতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। জাতীয় পার্টির ভাঙনে তার নেতৃত্বে একটি অংশ আলাদা হয়ে যায়। সম্প্রতি তিনি আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি-জেপিসহ কয়েকটি দলকে নিয়ে 'জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট' গঠন করেন। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে আনিসুল ইসলাম মাহমুদকে জাতীয় পার্টি-জেপির প্রার্থী হিসেবে দেখানো হয়।

প্রস্তাবক-সমর্থক অপহরণের অভিযোগ ও অন্যান্য বিতর্ক

মনোনয়নপত্র বাতিলের পর ক্ষোভ জানিয়ে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। সংবাদ সম্মেলন করে তিনি অভিযোগ করেন, চট্টগ্রামে মনোনয়নপত্র যাচাইয়ের সময় তার প্রস্তাবক ও সমর্থককে অপহরণ করা হয়েছিল।

এছাড়াও, মনোনয়নপত্র বাতিলের পর আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বিএনপির নেতাকর্মীদের জড়িয়ে মন্তব্য করার ঘটনায় প্রতিবাদ জানান চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি এবং হাটহাজারী উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির নেতারা। অন্যদিকে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গুলিতে নিহত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হৃদয় চন্দ্র তরুয়ার মৃত্যুর ঘটনায় তার বন্ধু আজিজুল হক বাদী হয়ে আনিসুল ইসলাম মাহমুদের বিরুদ্ধে চান্দগাঁও থানায় হত্যা মামলা করেছিলেন।

Tags: election commission jatiya party anisul islam mahmud parliament election chittagong-5 candidacy rejection jatiya ganatantrik front