নির্বাচনের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা
প্রেস সচিব শফিকুল আলম নিশ্চিত করেন যে, নির্বাচন পরিচালনার জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পুলিং কর্মকর্তাদের প্রস্তুতি পুরোপুরি সম্পন্ন। একই সঙ্গে, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা বাহিনীর প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে। পোস্টাল ব্যালটের কাজও শেষ হয়েছে। তিনি বলেন, 'এখন বলা যেতে পারে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের জন্য অপেক্ষামাত্র।'
গণভোট নিয়ে সমালোচনার জবাব
গণভোট নিয়ে যারা সমালোচনা করছেন, তাদের জানার পরিধি কম বলে মন্তব্য করেন শফিকুল আলম। তিনি যুক্তি দেন, বিশ্বের যেসব দেশে গণভোট হয়েছে, সেখানে সরকার হ্যাঁ বা না-এর পক্ষে অবস্থান নেয়। যেহেতু বর্তমান সরকার 'সংস্কারের' পক্ষে, তাই তারা হ্যাঁ ভোটের পক্ষে কথা বলছে। তার মতে, গণভোট হলো মূলত সংস্কারের সমষ্টিগত প্যাকেজ।
সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি
বিগত সময়ে 'দিনের ভোট রাতে' হওয়ায় মানুষ সঠিকভাবে ভোট দিতে পারেনি উল্লেখ করে প্রেস সচিব বলেন, 'এবার মানুষ ভোট দিতে পারবে।' তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, এই সরকার তাদের কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করবে যে তাদের কোনো পক্ষপাতিত্ব নেই। অর্থাৎ, তারা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।
মাজার পরিদর্শন ও অন্যান্যদের উপস্থিতি
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতির বিষয়ে মন্তব্য করার আগে শফিকুল আলম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলায় হযরত শাহ ছৈয়দ আহমদ গেছু দরাজ শাহ পীর কল্লা (রা.) এর মাজার পরিদর্শন ও জিয়ারত করেন। এ সময় তার সাথে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপসী রাবেয়া, সহকারী কমিশনার ভূমি (আখাউড়া) কফিল উদ্দিন মাহমুদ, মাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খাদেম মিন্টুসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও মাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।