বিতর্ক ও শোকজ নোটিশ বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের মন্তব্যের জেরে দেশের ক্রীড়াঙ্গন অস্থির হয়ে উঠেছিল। এই পরিস্থিতিতে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)-ও স্থগিত ঘোষণা করা হয়। যদিও পরবর্তীতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ঘটনার জেরে বিসিবির পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু নিশ্চিত করেছেন, নাজমুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি তাতে কোনো সাড়া দেননি।
অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণ শোকজের জবাব না দেওয়ায় নাজমুল ইসলামের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে প্রথম পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ইফতেখার রহমান মিঠু জানিয়েছেন, নাজমুল ইসলামকে অর্থ কমিটির চেয়ারম্যানের পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে।
শোকজের সময়সীমা ও পরবর্তী 'অ্যাকশন' বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নাজমুলকে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে শোকজ করা হয়, যা ১৭ জানুয়ারি দুপুরে শেষ হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি নাজমুল জবাব না দেন, তবে বিসিবির পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তাও স্পষ্ট করা হয়েছে। বিসিবি পরিচালক মিঠু বলেন, “এরপর এটা ডিসিপ্লিনারি কমিটিতে যাবে। একদম গঠনতন্ত্রে লেখা আছে। ডিসিপ্লিনারি কমিটি তাদের প্রক্রিয়ায় এগোবে”।
পরিচালক পদ হারানোর ইঙ্গিত ইফতেখার রহমান মিঠু তার বক্তব্যে সরাসরি না বললেও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শোকজের জবাব না দিলে বিসিবি পরিচালক পদ থেকেও অপসারণ হতে পারেন নাজমুল ইসলাম। তিনি পরিস্থিতিকে আদালতের মামলার সঙ্গে তুলনা করে বলেন, “জবাব না দিলে, তার মানে আপনি জানেন… আদালতে যদি মামলা করা হয়, আপনি যদি হাজিরা না দেন, এটার ফল তো আমার ব্যাখ্যা করার দরকার নেই”। এটি প্রকারান্তরে নাজমুল ইসলামের জন্য কঠোর শাস্তির বার্তাই বহন করছে।