Rajshahi Warriors-এর কোয়ালিফায়ার নিশ্চিত
শেষ মুহূর্তের রোমাঞ্চে সিলেট টাইটান্সকে (Sylhet Titans) ৫ রানে পরাজিত করে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (BPL)-এর কোয়ালিফায়ারে (Qualifier) জায়গা করে নিয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স (Rajshahi Warriors)। এই জয়ের ফলে ৯ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে নাজমুল শান্তর (Najmul Shanto) নেতৃত্বাধীন দলটি টেবিলের Top Two-তে থাকার পথ অনেকটাই নিশ্চিত করল। সিলেট শেষ ওভার পর্যন্ত লড়াই চালিয়েও জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ১৪৮ রান তুলতে ব্যর্থ হয়।
রাজশাহীর ইনিংস: মুশফিক-শান্তর দৃঢ়তা
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই দুই ওপেনার তানজিদ তামিম ও সাহিবজাদা ফারহানকে হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে রাজশাহী। এ সময় দলের ইনিংস টানেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম (Mushfiqur Rahim) ও নাজমুল শান্ত।
গুরুত্বপূর্ণ জুটি: তারা দুজন ৩২ বলে ৫৬ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন।
ব্যক্তিগত স্কোর: ২১ বলে ৩৪ রান করে শান্ত রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে আউট হন। মুশফিকুর রহিমও হাফ-সেঞ্চুরি না পেলেও ৩০ বলে ৪০ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন।
ফিনিশিং টাচ: শেষদিকে আব্দুল গাফফার সাকলাইনের ১১ বলে ১৬ রানের ক্যামিওতে রাজশাহী নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৪৭ রান তোলে।
বোলিং: সিলেটের হয়ে শহিদুল ইসলাম ও নাসুম আহমেদ দুটি করে উইকেট নেন।
সিলেটের ইনিংস: রিপনের দুর্দান্ত বোলিং ও মঈন আলীর নাটক
১৪৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে সিলেট ২০ ওভারে ১৪২ রানে থামে। তাদের ইনিংসে শুরু থেকেই বিপর্যয় ছিল।
শুরুর ধাক্কা: তৃতীয় ওভারেই উইকেট হারায় সিলেট। তৌফিক খান তুষার ও মেহেদী হাসান মিরাজ (১ রান) দ্রুত ফিরে গেলে পারভেজ হোসেন ইমন (৩০ বলে ৪১) ও মুমিনুল হক ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করেন।
শেষদিকের ঝড়: শেষদিকে মঈন আলী (Moeen Ali) ঝড় তোলেন—মাত্র ১২ বলে ২৭ রান করেন, যার মধ্যে ছিল তিনটি ছক্কা।
নাটকীয় সমাপ্তি: শেষ ১২ বলে ২৫ রান দরকার থাকলেও ১৯তম ওভারে রিপন মণ্ডলের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে মঈন আলীর আউট হওয়ায় সিলেটের জয়-সম্ভাবনা কার্যত শেষ হয়ে যায়।
রাজশাহীর সেরা বোলার: রিপন মণ্ডল দুর্দান্ত বোলিং করে ৪ ওভারে ৩৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
এই জয়ের ফলে প্লে-অফ (Play-off) পর্বে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের অবস্থান সুসংহত হলো।