চুক্তির শর্তাবলী ও প্রশাসনিক পরিবর্তন
দীর্ঘদিনের সংঘাত শেষে সিরিয়া সরকার ও এসডিএফের মধ্যে হওয়া এই চুক্তিতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো—এসডিএফকে ইউফ্রেটিস নদীর পশ্চিমাঞ্চল থেকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রত্যাহার করে নিতে হবে। একই সঙ্গে, এসডিএফের যোদ্ধাদের সিরিয়ার জাতীয় সেনাবাহিনীতে একীভূত করা হবে।
রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পুনরুদ্ধার
সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা চুক্তির সফলতা তুলে ধরে জানান, এর ফলে আল-হাসাকা, দেইর আজ-জোর ও রাক্কা প্রদেশে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো আবার তাদের দায়িত্ব বুঝে নেবে। এই প্রদেশগুলো আগে এসডিএফের নিয়ন্ত্রণে ছিল। তিনি স্থানীয় আরব গোত্রগুলোকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে চুক্তির শর্ত বাস্তবায়নে সহযোগিতা চেয়েছেন।
আইএস বন্দি শিবির ও এসডিএফের ভূমিকা
চুক্তিতে ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি ফোর্সেস বা আইএস (আইএসআইএল) বন্দিদের শিবির এবং সেগুলোর নিরাপত্তায় নিয়োজিত এসডিএফ প্রশাসনকে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সঙ্গে একীভূত করার কথা বলা হয়েছে। ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ শিবিরগুলোর পূর্ণাঙ্গ দায়িত্বভার এখন সিরিয়া সরকারের হাতে চলে যাবে। এছাড়াও, এসডিএফ কেন্দ্রীয় সরকারের সামরিক, নিরাপত্তা এবং বেসামরিক গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের জন্য কয়েকজন নেতার নাম প্রস্তাব করতে পারবে।
আন্তর্জাতিক মহলের প্রতিক্রিয়া
সিরিয়ার এই যুদ্ধবিরতিকে আন্তর্জাতিক মহল স্বাগত জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সিরিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত টম ব্যারাক এই চুক্তিকে 'বিভাজনের বদলে অংশীদারত্বের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি' বলে অভিহিত করেছেন।
অন্যদিকে, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন এবং দামেস্ক সরকারকে তার পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছেন।