আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও প্রদর্শন নিষিদ্ধ
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে যে, নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুসরণ করে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সধারীরা কোনো প্রকার আগ্নেয়াস্ত্র বহন বা প্রদর্শন করতে পারবেন না। এই সময়ের মধ্যে সব বৈধ অস্ত্র থানায় জমা রাখা বাধ্যতামূলক।
নির্দেশনার আওতার বাইরে কারা?
তবে এই নির্দেশনার আওতার বাইরে থাকবেন কিছু ব্যক্তি। নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী, নির্বাচনে বৈধভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল ও গৃহীত জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী এবং তাঁদের জন্য অনুমোদিত সশস্ত্র রিটেইনারদের ক্ষেত্রে বৈধ অস্ত্র প্রদর্শন নিষিদ্ধকরণের এই নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ, তাঁরা নির্বাচনী কার্যক্রমের প্রয়োজনে অস্ত্র বহন করতে পারবেন।
আইন লঙ্ঘন করলে কঠোর ব্যবস্থা
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই আদেশ কেউ লঙ্ঘন করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসন এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেবে না। নির্দেশনাটি যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য দেশের সকল পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করাই মূল লক্ষ্য
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং সহিংসতা ও ভয়ভীতির আশঙ্কা কমাতে আগ্নেয়াস্ত্র জমা ও বহনে নিষেধাজ্ঞা একটি নিয়মিত ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। নির্বাচনী নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ভোটের পরিবেশ আরও শান্তিপূর্ণ রাখা সম্ভব হবে। তবে মাঠপর্যায়ে কঠোর তদারকি ও নজরদারির ওপরও তারা গুরুত্বারোপ করেছেন।