রাজনীতি ছাড়ার কারণ: সময় ও ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্য
মিমি চক্রবর্তী তাঁর সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে রাজনীতি থেকে সরে আসার মূল কারণ হিসেবে 'সময়ের অভাব' এবং 'ব্যক্তিগত জীবনের অগ্রাধিকার'কেই তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে, রাজনীতিতে বিপুল পরিমাণে সময় দিতে হয়, যা অভিনয় জগতে নিয়মিত কাজ করার পাশাপাশি সামলানো কঠিন হয়ে উঠছিল। শুধু কাজ নয়, নিজের বাড়ি, বাবা-মা এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত দায়িত্ব পালনের জন্যও তাঁকে সময় দিতে হয়। কিন্তু রাজনীতিতে সশরীরে বিভিন্ন স্থানে উপস্থিত থাকার বাধ্যবাধকতা তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করছিল। তাই জীবনের অগ্রাধিকার বেছে নিতেই তিনি এই কঠিন সিদ্ধান্ত নেন।
তারকাদের জীবন নিয়ে সাধারণের ভুল ধারণা
সাধারণ মানুষ তারকাদের জীবন নিয়ে যে ধারণা পোষণ করেন, তা যে সবসময় ঠিক নয়, সেই বিষয়টিও স্পষ্ট করেছেন মিমি। অনেকের ধারণা, তারকাদের সব কাজ করে দেওয়ার জন্য লোক থাকে। এই ভুল ধারণা ভাঙিয়ে মিমি বলেন, "অনেকে ভাবেন আমি কিছুই করি না, সব কাজ অন্যরা করে দেয়। বাস্তবতা একদম আলাদা। নিজের কাজ নিজেকেই করতে হয়।" এমনকি তাঁর বাবার চিকিৎসা ও ওষুধের দায়িত্বও তাঁকে একাই সামলাতে হয়। তিনি তাঁর গভীর উপলব্ধি থেকে বলেন, "জীবনে সময় খুব কম, আর জীবন একটাই। তাই তুমি কী করতে চাও, সেই সিদ্ধান্ত তোমাকেই নিতে হবে।"
অভিনয়ে পূর্ণ মনোযোগ: আসছে নতুন ছবি
রাজনীতি থেকে সরে আসার পর মিমি এখন অভিনয়ে পূর্ণ মনোযোগ দিয়েছেন। এর প্রমাণ মিলবে খুব শীঘ্রই। আগামী ২৩ জানুয়ারি বড় পর্দায় মুক্তি পেতে চলেছে উইন্ডোজ প্রযোজিত প্রথম হরর-কমেডি ছবি 'ভানুপ্রিয়া ভূতের হোটেল'। অরিত্র মুখোপাধ্যায় পরিচালিত এই ছবিতে একঝাঁক তারকার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যাবে মিমিকে। রাজনীতিতে না থাকলেও পর্দার মিমি যে স্বমহিমায় ফিরছেন, তা বলাই বাহুল্য।