Hollywood Star-এর দীর্ঘমেয়াদি কৌশল
চলতি বছরের বড় পুরস্কারে লড়ছে পল টমাস অ্যান্ডারসনের সিনেমা 'ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার' (One Battle After Another), যার অভিনেতা লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও (Leonardo DiCaprio) বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রে। সম্প্রতি Time Magazine-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হলিউডের এই প্রভাবশালী তারকা নিজের দীর্ঘ অভিনয়জীবনের নানা স্মৃতি ঝালিয়ে নিয়েছেন এবং জানিয়েছেন তার সফল ক্যারিয়ারের নেপথ্যের কৌশল।
ক্যারিয়ারের দর্শন: ম্যারাথন বনাম স্প্রিন্ট
ডিক্যাপ্রিও জানান, খুব অল্প মতো দেখেছি, ছোট দৌড় নয়'
১৫ বছর বয়সেই অভিনেতা হওয়ার লক্ষ্য স্থির; Quentin Tarantino ও PT Anderson-এর কাজের Realism-এর প্রশংসা
Hollywood Star-এর দীর্ঘমেয়াদি কৌশল
চলতি বছরের বড় পুরস্কারে লড়ছে পল টমাস অ্যান্ডারসনের সিনেমা 'ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার' (One Battle After Another)। এই ছবির অভিনেতা লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও (Leonardo DiCaprio) বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রে। সম্প্রতি Time Magazine-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিজের বয়সেই তিনি তার লক্ষ্য স্থির করেছিলেন।
স্পষ্ট লক্ষ্য: "আমি যখন ১৫ বছরের, তখনই স্পষ্টভাবে জানতাম—আমি কী ধরনের অভিনেতা হতে চাই এবং কী ধরনের ক্যারিয়ার গড়তে চাই।"
ম্যারাথন: তিনি বলেন, "সবচেয়ে বেশি যেটা চাইতাম, সেটা হলো দীর্ঘ সময় ধরে টিকে থাকা। আমি ক্যারিয়ারকে সব সময় ম্যারাথনের মতো দেখেছি, ছোট দৌড়ের মতো নয়।" এই দর্শনই তাকে বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয় করতে এবং দীর্ঘ সময় ধরে Global Icon হিসেবে টিকে থাকতে সাহায্য করেছে।
অভিনয়ের শুরুর দিনগুলো ও টার্নিং পয়েন্ট
শৈশব ও ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলো স্মরণ করে ডিক্যা দীর্ঘ অভিনয়জীবনের সফলতার পেছনের দর্শন তুলে ধরেছেন।
ক্যারিয়ারের দর্শন: ম্যারাথন বনাম স্প্রিন্ট
ডিক্যাপ্রিও জানান, খুব অল্প বয়সেই তিনি তার লক্ষ্য স্থির করেছিলেন:
সুস্পষ্ট লক্ষ্য: "আমি যখন ১৫ বছরের, তখনই স্পষ্টভাবে জানতাম—আমি কী ধরনের অভিনেতা হতে চাই এবং কী ধরনের ক্যারিয়ার গড়তে চাই।"
দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা: তিনি বলেন, "সবচেয়ে বেশি যেটা চাইতাম, সেটা হলো দীর্ঘ সময় ধরে টিকে থাকা। আমি ক্যারিয়ারকে সব সময় ম্যারাথনের মতো দেখেছি, ছোট দৌড়ের মতো নয়।" এই দর্শনই তাকে Global Icon হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য করেছে।
***প্রিও বলেন, বিজ্ঞাপন আর টিভির ছোটখাটো কাজ দিয়ে তাঁর যাত্রা শুরু।
'টার্নিং পয়েন্ট: জনপ্রিয় সিটকম 'গ্রোয়িং পেইনস' (Growing Pains)-এ কাজ করার পরই তার সামনে বড় পর্দার দরজা খুলে যায়। তিনি মনে করেন, "ভাগ্য ভালো যে ১৯৯৩ সালে 'দিস বয়েজ লাইফ' (This Boy's Life) ছবিতে রবার্ট ডি নিরোর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাই। সেটাই আমার সিনেমার ক্যারিয়ারকে এগিয়ে দেয়।"
প্রথম সত্যিকারের চরিত্র: এরপর আসে 'হোয়াটস ইটিং গিলবার্ট গ্রেপ' (What's Eating Gilbert Grape)। এই চরিত্রের জন্য প্রযোজকেরা প্রথমে দ্বিধায় থাকলেও ডিক্যাপ্রিও চরিত্রটি নিয়ে খুব পরিশ্রম করেন। তিনি যোগ করেন, "এটাই ছিল আমার জীবনে প্রথম সত্যিকারের চরিত্র নির্মাণের অভিজ্ঞতা।"
প্রিয় নির্মাতাদের সঙ্গে কাজ: Realism ও সিনেমা ইতিহাস
প্রিয় নির্মাত
অভিনয়ের শুরুর দিনগুলো ও টার্নিং পয়েন্ট
শৈশব ও ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলো স্মরণ করে ডিক্যাপ্রিও বলেন, বিজ্ঞাপন আর টিভির ছোটখাটো কাজ দিয়ে তাঁর যাত্রা শুরু।
বড় ব্রেক: জনপ্রিয় সিটকম 'গ্রোয়িং পেইনস' (Growing Pains)-এ কাজ করার পরই তার সামনে বড় পর্দার দরজা খুলে যায়।
টার্নিং পয়েন্ট: "ভাগ্য ভালো যে ১৯৯৩ সালে 'দিস বয়েজ লাইফ' (This Boy's Life) ছবিতে রবার্ট ডি নিরোর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাই। সেটাই আমার সিনেমার ক্যারিয়ারকে এগিয়ে দেয়।"
চরিত্র নির্মাণের অভিজ্ঞতা: এরপর 'হোয়াটস ইটিং গিলবার্ট গ্রেপ' (What's Eating Gilbert Grape)-এর জন্য তিনি কঠোর পরিশ্রম করেন এবং এটিকে তার জীবনে "প্রথম সত্যিকারের চরিত্র নির্মাণের অভিজ্ঞতা" বলে উল্লেখ করেন।
প্রিয় নির্মাতাদের সঙ্গে কাজ: Realism ও সিনেমা ইতিহাস
ডিক্যাপ্রিও বিশেষভাবে উল্লেখ করেন পল টমাস অ্যান্ডারসন (Paul Thomas Anderson) ও কুয়েন্টিন টারান্টিনোর (Quentin Tarantino) নাম:
পেশাদারিত্ব: তার ভাষায়, "পল টমাস অ্যান্ডারসন আর কুয়েন্টিন টারান্টিনো দুজনই সিনেমাপ্রেমী। সিনেমার ইতিহাসের প্রতি তাঁদের গভীর শ্রদ্ধা আছে।"
শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা: তিনি বলেনাদের কথা বলতে গিয়ে ডিক্যাপ্রিও বিশেষভাবে উল্লেখ করেন পল টমাস অ্যান্ডারসন (Paul Thomas Anderson) ও কুয়েন্টিন টারান্টিনো (Quentin Tarantino)-র নাম।
পেশাদারিত্ব: তার ভাষায়, "পল টমাস অ্যান্ডারসন আর কুয়েন্টিন টারান্টিনো দুজনই সিনেমাপ্রেমী। সিনেমার ইতিহাসের প্রতি তাঁদের গভীর শ্রদ্ধা আছে।"
শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা: তিনি বলেন, "পল, পল তাদের এমন সব লোকেশনে নিয়ে যেতেন, যা চরিত্রের ভেতরে বাস্তবতার ছাপ (Realism) বসিয়ে দিত। 'ওয়ানস আপন আ টাইম ইন হলিউড' ছবির শুটিংয়ের স্মৃতি টেনে তিনি বলেন, ল আমাদের এমন সব লোকেশনে নিয়ে যেতেন, যা চরিত্রের ভেতরে বাস্তবতার ছাপ বসিয়ে দিত। কুয়েন্টিনও ঠিক তেমনই।" 'ওয়ানস আপন আ টাইম ইন হলিউড' ছবির শুটিংয়ের স্মৃতি টেনে তিনি বলেন, মনে হচ্ছিল যেন তিনি সরাসরিস অ্যাঞ্জেলেসের ব্যস্ত জায়গাগুলো পুরোপুরি বদলে ফেলা হয়েছিল, মনে হচ্ছিল যেন তিনি সরাসরি ১৯৬৯ সালের হলিউডে ঢুকে পড়েছেন।