• রাজনীতি
  • যারা বছরের পর বছর গুপ্ত ছিলো তারা আমাদের গুপ্ত বলছে: জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

যারা বছরের পর বছর গুপ্ত ছিলো তারা আমাদের গুপ্ত বলছে: জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

নির্বাচনী জনসভায় জামায়াত আমির বলেন, যারা বছরের পর বছর 'গুপ্ত' ছিলেন, তারাই জামায়াতকে গুপ্ত বলছেন, যা লজ্জার। তিনি 'কালো চিলদের' নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সতর্ক করেন।

রাজনীতি ১ মিনিট পড়া
যারা বছরের পর বছর গুপ্ত ছিলো তারা আমাদের গুপ্ত বলছে: জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

যারা বছরের পর বছর ধরে 'গুপ্ত' (আড়ালে বা গোপন) ছিলেন, তারাই এখন জামায়াতে ইসলামীকে 'গুপ্ত' বলে অভিহিত করছেন, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক।—এমন মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর কলাবাগান সরকারি স্টাফ কোয়ার্টার মাঠে ঢাকা-১০ আসনের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই সমালোচনা করেন। তিনি জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে নির্বাচন বানচালের যেকোনো চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করার ঘোষণা দেন।

নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র ও সতর্কতা জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের আকাশে কিছু 'কালো চিল' ঘোরাফেরা করছে, যারা জনগণের আকাঙ্ক্ষার এই নির্বাচনকে বানচাল করতে চায়। তিনি নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যদি কেউ ভোট বানচালের চেষ্টা করে, তবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।

'গুপ্ত' বলা প্রসঙ্গে পাল্টা জবাব ডা. শফিকুর রহমান তার সমালোচকদের উদ্দেশ্যে বলেন, "অতীতের কথা বাদই দিলাম। অতীতে কে কী করেছে—তা নিয়ে অনেকে গুপ্ত, সুপ্তসহ আরও কত কিছু-যে বলে, তার কোনো সীমা নেই। যারা নিজেরাই বছরের পর বছর গুপ্ত হয়ে ছিলেন, তারাই আজ মজলুমদের নিয়ে এসব বলছেন। অন্যের দিকে আঙুল তোলার আগে নিজেদের দিকে তাকালে সেটাই ভালো হবে। অন্যের চেহারা না দেখে নিজের চেহারা দেখুন।" তিনি এই ধরনের মন্তব্যকে 'লজ্জার' বলেও অভিহিত করেন।

গণভোট ও নির্বাচনের সময়কাল নিয়ে প্রশ্ন অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, "আমরা যেদিকে এগোতে চাই, কোনো কোনো দল সামনে গিয়ে বাধা দেয়। জুলাই সংস্কার প্রস্তাবগুলো নিয়ে আমাদের দাবি ছিল, আগে গণভোট হোক, তাহলে জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুন্দর হবে। কিন্তু প্রথমে বিরোধিতা করে ধাক্কা খেয়ে এখন তারা বলছে, গণভোট মানি না। আসলে এ হলো 'ঠেলার নাম বাবাজি'।"

তিনি প্রশ্ন তোলেন, "জুলাই না হলে কিসের আবার ২৬ সালের নির্বাচন? জুলাই না হলে তো নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল ফ্যাসিবাদীদের অধীনে ২৯ সালে। জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা পূরণ না করে নির্বাচন চাওয়া হতে পারে না।"

দলীয় ইশতেহারের আভাস: দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ ও কর্মসংস্থান দলীয় ইশতেহারের একটি আভাস দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, "ইনশাআল্লাহ এই বাংলাদেশকে দুর্নীতি, চাঁদাবাজ ও ব্যাংক ডাকাতমুক্ত করা হবে। আমরা যুব সমাজকে অপমানজনক বেকার ভাতা নয়, বরং তাদের হাতের তালুতে সম্মানের রুজি তুলে দিতে চাই।"

Tags: bangladesh politics jamaat-e-islami political speech election rally dr. shafiqur rahman dhaka-10