চট্টগ্রামের সংগ্রামী ইতিহাস
জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান চট্টগ্রাম মহানগরীকে শুধু বন্দরনগরী নয়, এটিকে সুদীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস আর প্রতিরোধের রাজধানী হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি চট্টলাবাসীকে তাদের এই গৌরবময় ইতিহাসের সূচনার জন্য স্যালুট জানান। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণা এখান থেকেই হয়েছিল। আপনাদেরই এক গর্বিত সন্তান সবার আগে চিৎকার দিয়ে বলেছিলেন 'উই রিভল্ট'। তিনি হচ্ছেন এলডিপির সম্মানিত সভাপতি ড. কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রম।
অলি আহমদের আক্ষেপ ও বিএনপির সমালোচনা
ড. কর্নেল অলি আহমদের আক্ষেপের কথা তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, ‘কেন তিনি (অলি) আজ আক্ষেপ করে বলেন- আমি লড়াই করেছি রণাঙ্গণে, আমি জাতীয়তাবাদী দল গঠনে দ্বিতীয় ব্যক্তি ছিলাম জিয়াউর রহমানের পরে। তিনি এখন বলেন আমি এখন বিএনপিতে নেই, থাকতে পারিনি। কারণ এটি জিয়াউর রহমানের বিএনপি নয়।’
জাতীয় ঐক্যের আহ্বান ও নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অতীতের কাসুন্দি টেনে জাতিকে বিভক্ত করতে দেওয়া হবে না। তিনি ধর্মে-বর্ণে আর কোনো ভেদাভেদ চান না। তিনি সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে দেশকে ফুলের বাগান হিসেবে সাজানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি সকলের জন্য, বিশেষ করে মা-বোনদের জন্য, চলাচল এবং কর্মস্থলে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন এবং মায়েদের মর্যাদায় মাথার ওপরে তুলে রাখার কথা বলেন।
প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দেওয়া
সভায় মহানগর জামায়াতের আমির মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে দলের প্রধান শফিকুর রহমান চট্টগ্রাম-১০, চট্টগ্রাম-৯, চট্টগ্রাম-১১ ও খাগড়াছড়ি আসনে জামায়াতের প্রার্থীদের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক এবং চট্টগ্রাম-৮ আসনে জোটের শরিক দল এনসিপির প্রার্থীর হাতে শাপলা কলি প্রতীক তুলে দেন।