একযোগে ১২ এলাকায় হামলা, হতাহত বহু বেসামরিক নাগরিক
নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে জানা যায়, গত সপ্তাহান্তে বেলুচিস্তানের ১২টি ভিন্ন ভিন্ন এলাকায় একযোগে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। এসব হামলার প্রতিক্রিয়ায় এই ব্যাপক অভিযান চালানো হয়। হামলাগুলোর প্রধান লক্ষ্য ছিল কোয়েটা, মাসতুং, নুশকি, দালবন্দিন, খারান, পাঞ্জগুর, তুম্প, গ্বাদর ও পাসনি-সহ বিভিন্ন স্থানের সাধারণ মানুষ।
এই সন্ত্রাসী হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৩৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। এছাড়া, ২২ জন সেনা ও নিরাপত্তা সদস্য কর্তব্যরত অবস্থায় প্রাণ হারান।
সেনাবাহিনীর যৌথ তল্লাশি ও পরিষ্কার অভিযান
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আইএসপিআর (Inter-Services Public Relations) জানিয়েছে, হামলার পরপরই নিরাপত্তা বাহিনী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যৌথভাবে একটি ব্যাপক তল্লাশি ও 'পরিষ্কার' অভিযান শুরু করে। এই অভিযানে আত্মঘাতী হামলাকারীসহ বহু সশস্ত্র সন্ত্রাসী নিহত হয়।
বিদেশি নেটওয়ার্কের জড়িত থাকার অভিযোগ
আইএসপিআর দাবি করেছে যে এই সন্ত্রাসী হামলার নেপথ্যে বিদেশ থেকে পরিচালিত একটি সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক জড়িত ছিল। তাদের মূল লক্ষ্য ছিল বেলুচিস্তান প্রদেশের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও চলমান উন্নয়নমূলক কাজ ব্যাহত করা।
বিএলএ-র ক্রমবর্ধমান হামলা
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেলুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) বেলুচিস্তান প্রদেশে তাদের হামলার মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। এই বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীটি বিশেষত অন্যান্য প্রদেশ থেকে আসা শ্রমিক এবং বিদেশি প্রকল্পের সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের টার্গেট করছে।