দেশের বাজারে দীর্ঘ সময় ধরে স্বর্ণের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর বড় পতনের খবর জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমে যাওয়ায় এই সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।
নতুন নির্ধারিত মূল্যতালিকা বাজুসের ঘোষণা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের বর্তমান দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকা। এর আগে এই মানের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৭৭ হাজার ৪২৮ টাকা। অর্থাৎ প্রতি ভরিতে ৯ হাজার ২১৪ টাকা কমানো হয়েছে। বুধবার বাজুসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই দাম কমানোর বিষয়টি নিশ্চিত করা হলেও শনিবারও একই দরে বাজারে স্বর্ণ কেনাবেচা চলছে।
পুরানো দামের রেকর্ড ও বাজার পরিস্থিতি এর আগে গত বুধবার পর্যন্ত স্বর্ণের দাম ছিল আকাশচুম্বী। বাজুস এর আগে ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বাড়িয়েছিল। গত সপ্তাহজুড়ে দুই দফায় স্বর্ণের দাম বাড়ে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা। দফায় দফায় দাম বাড়ার ফলে সাধারণ মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছিল এই মূল্যবান ধাতু। তবে নতুন এই সমন্বয়ের ফলে বাজারে কিছুটা স্থিতিশীলতা ফেরার সম্ভাবনা দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
২০২৬ সালে স্বর্ণের দামের গতিবিধি চলতি ২০২৬ বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ৩৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম বাড়ানো হয়েছে ২৪ বার এবং কমানো হয়েছে ১৩ বার। বিশ্ববাজারের সাথে তাল মিলিয়ে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ওঠানামা করে। বিশেষ করে স্থানীয় বাজারে পাকা স্বর্ণ বা তেজাবি স্বর্ণের সরবরাহের ওপর ভিত্তি করেই এই মূল্য পরিবর্তন করে থাকে বাজুস।
রুপার দামেও পরিবর্তন স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামেও কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। সাধারণত স্বর্ণের দামের সাথে পাল্লা দিয়ে রুপার বাজারও ওঠানামা করে। তবে বর্তমান এই বড় দরপতন জুয়েলারি ব্যবসায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।