বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যক্ষ আব্দুল হক নুরুর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বিভিন্ন মহল। পারিবারিক ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন।
রাজনৈতিক ও কর্মজীবন
অধ্যক্ষ আব্দুল হক নুরু ছিলেন কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি শিক্ষা বিস্তারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি মিঠামইনের ‘মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হক সরকারি কলেজ’-এর প্রতিষ্ঠাতা। এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে তিনি একজন নিবেদিতপ্রাণ ও জনহিতৈষী ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
পরিবার ও শোক
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের পরিবেশ তৈরি হয়। তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
জানাজা ও দাফন সম্পন্ন
পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সোমবার (২৩ মার্চ) সকালে তার মরদেহ ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জে নিয়ে যাওয়া হবে। বাদ জোহর মিঠামইন উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হক কলেজ মাঠে মরহুমের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও শেষ বিদায়
মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লিয়াকত আলী জানিয়েছেন, জানাজার পর আব্দুল হক নুরুকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় (গার্ড অব অনার) প্রদান করা হবে। এরপর কামালপুর গ্রামে তাদের পারিবারিক গোরস্তানে তাকে দাফন করা হবে। দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে তার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মান জানানো হবে।