অন্তর্বর্তী সরকারের অবস্থান স্পষ্টীকরণ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর Acting Chairman জনাব তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম। সম্প্রতি তারেক রহমান এক Digital Platform-এ প্রদত্ত বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, দেশে ফেরার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ তাঁর জন্য 'অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়'। এর পরপরই তাঁর প্রত্যাবর্তনে সরকারের তরফ থেকে কোনো বিধি-নিষেধ বা Legal Constraints রয়েছে কি না, তা জানতে চাওয়া হয় প্রেস সচিবের কাছে।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে Press Secretary-এর নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করে জানানো হয়। পোস্টে শফিকুল আলম জানান, 'এ ব্যাপারে সরকারের তরফ থেকে কোনো বিধিনিষেধ অথবা কোনো ধরনের আপত্তি নেই।'
প্রত্যাবর্তনের প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক আলোচনা
উল্লেখ্য, তারেক রহমান বিগত প্রায় দেড় দশক ধরে Exile-এ আছেন। ফৌজদারি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হওয়ায় তাঁর দেশে ফেরা দীর্ঘদিন ধরেই দেশের রাজনৈতিক মহলে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়। অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার উদ্যোগের মধ্যে, তাঁর প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। তারেক রহমানের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে, প্রেস সচিবের এই ঘোষণা তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এর মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকার কার্যত তাঁর দেশে ফেরায় আনুষ্ঠানিক সরকারি আপত্তির বিষয়টি খারিজ করল। এই অবস্থান দেশের Political Landscape-এ একটি নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।
খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ
একই সঙ্গে, প্রেস সচিবের পোস্টে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে সরকারের প্রধান উপদেষ্টার গভীর উদ্বেগের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। প্রেস সচিব আরও উল্লেখ করেন, 'বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ইতোমধ্যে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং তাঁর জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।'
খালেদা জিয়ার গুরুতর অসুস্থতা এবং তাঁর উন্নত চিকিৎসার জন্য মুক্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক বিদ্যমান। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানের পক্ষ থেকে এমন উদ্বেগ প্রকাশ রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে, শীর্ষস্থানীয় Political Figure-দের স্বাস্থ্য ও Safety-কে ঘিরে জনমনে যে উদ্বেগ রয়েছে, প্রধান উপদেষ্টার এই মন্তব্য তারই প্রতিফলন।