দুবাইয়ে ঐতিহাসিক জয় ও পুরস্কার ঘোষণা দুবাইয়ের আইসিসি একাডেমিতে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের ফাইনাল ম্যাচে পাকিস্তানকে বড় জয় এনে দিয়েছে তরুণ ক্রিকেটাররা। ভারতকে রীতিমতো বিধ্বস্ত করে ১৯১ রানের বিশাল ব্যবধানে শিরোপা ঘরে তোলে তারা। ম্যাচ শেষে অধিনায়ক ফারহান ইউসাফের হাতে ট্রফি তুলে দেন পিসিবি ও এসিসি প্রধান মহসিন নকভি নিজেই। এই ‘গর্বের’ মুহূর্তের পরই আসে বড় আর্থিক পুরস্কারের ঘোষণা। পিসিবি-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, জাতীয় অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ১৫ জন খেলোয়াড়ের প্রত্যেকে ৫০ লাখ পাকিস্তানি রুপি করে পাবেন।
ভবিষ্যৎ তারকাদের প্রতি বোর্ডের আশ্বাস শুধু পুরস্কার দিয়েই থেমে থাকেননি মহসিন নকভি। দুবাইয়ে দলের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি তরুণ ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগতভাবে প্রশংসা করেন এবং তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আত্মবিশ্বাস জোগান। সূত্র আরও জানায়, নকভি ক্রিকেটারদের আশ্বস্ত করেছেন যে পিসিবি তাদের পেশাগত ও ব্যক্তিগত প্রয়োজনের দিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে। চিকিৎসা সহায়তাসহ সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি। বোর্ডের এই বার্তা পাকিস্তানের বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ইঙ্গিত দেয়।
নায়ক ওপেনার সামির মিনহাস ফাইনালে বিশেষ নজর কেড়েছেন ওপেনার সামির মিনহাস। চাপের মুখে ব্যাট হাতে তিনি খেলেন ১৭২ রানের এক অনবদ্য ইনিংস। তাঁর এই পারফরম্যান্সই পাকিস্তানের বিশাল সংগ্রহের ভিত্তি গড়ে দেয় (৩৪৮ রান)। মহসিন নকভি আলাদাভাবে সামিরের প্রশংসা করে বলেন, বড় মঞ্চে এমন শান্ত ও পরিণত ইনিংস ভবিষ্যতের তারকার পরিচয় বহন করে।
ভারতকে গুঁড়িয়ে দেওয়া বোলিং আক্রমণ ৩৪৮ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারতীয় দল গুটিয়ে যায় মাত্র ১৫৬ রানে। মূলত পেসার আলি রাজার চার উইকেটের ঝলক এবং সহায়তাকারী বোলারদের ধারাবাহিক আক্রমণে ম্যাচটি একতরফা হয়ে যায়। ভয়ডরহীন ক্রিকেট, অসাধারণ মানসিকতা এবং স্মরণীয় পারফরম্যান্স দিয়ে এই দল পাকিস্তানকে গর্বিত করেছে বলে মহসিন নকভি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) উল্লেখ করেছেন।