ঋণখেলাপের অভিযোগে বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকায় নাম থাকায় মাহমুদুর রহমান মান্নার নির্বাচনে অংশগ্রহণে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছিল। এই তালিকা থেকে নিজের নাম বাদ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে তিনি উচ্চ আদালতে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেছিলেন। তবে হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ সেই আবেদনটি খারিজ করে দেন।
আদালতে শুনানি ও আদেশ
আদালতে মাহমুদুর রহমান মান্নার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শফিকুর রহমান। উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে হাইকোর্ট বেঞ্চ রিট আবেদনটি খারিজ করার আদেশ দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শফিকুর রহমান গণমাধ্যমকে আদালতের আদেশের বিষয়ে নিশ্চিত করে জানান, 'বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণখেলাপির তালিকা থেকে নাম বাদ চেয়ে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না রিট করেছিলেন। আদালত রিট আবেদনটি খারিজ করে দিয়েছেন। এর ফলশ্রুতিতে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।'
মান্নার আইনজীবীর পরবর্তী পদক্ষেপ
হাইকোর্টের আদেশের পরপরই মান্নার আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলেন, 'হাইকোর্টের রিট খারিজের এই আদেশের বিরুদ্ধে আমরা দ্রুতই আপিল বিভাগে আপিল করব।' আপিলে যদি উচ্চ আদালতের এই আদেশ বহাল না থাকে, তবে মাহমুদুর রহমান মান্নার নির্বাচনে অংশগ্রহণের পথ পুনরায় খুলতে পারে।