সময় বাড়ানোর কারণ ও বাধ্যবাধকতা
আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ৩৩৪-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড জনস্বার্থে, সরকারের অনুমোদনক্রমে সময় বাড়ানোর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মূলত ব্যবসায়ী ও করদাতাদের পক্ষ থেকে আবেদনের ফলেই এই বর্ধিত সময় দেওয়া হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল ৩০ নভেম্বর, যা প্রথম দফায় বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর করা হয়েছিল এবং দ্বিতীয় দফায় তা ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত বাড়ানো হলো।
অনলাইন রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা
চলতি কর বছরে কিছু নির্দিষ্ট শ্রেণির করদাতা ব্যতীত সকল ব্যক্তিগত করদাতার জন্য অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যারা এই বাধ্যবাধকতার বাইরে আছেন, তারা হলেন— ৬৫ বছরের বেশি প্রবীণ করদাতা, শারীরিকভাবে অক্ষম বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি, বিদেশে অবস্থানরত করদাতা, মৃত করদাতার আইনগত প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিক। তবে, এই শ্রেণির করদাতারাও চাইলে অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে পারবেন।
ই-রিটার্ন সেবার উদ্বোধন ও সাড়া
এনবিআর সূত্র অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ই-রিটার্ন সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছিলেন। চলতি কর বছরে ইতোমধ্যে ১০ লাখেরও বেশি করদাতা অনলাইনে তাঁদের রিটার্ন জমা দিয়েছেন, যা ডিজিটাল সেবার প্রতি করদাতাদের ইতিবাচক সাড়ার ইঙ্গিত দেয়।