বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবনে বরাবরই ইসলামী মূল্যবোধ ও আদর্শের প্রতি আস্থাশীল ছিলেন। সম্প্রতি তাঁর রাজনৈতিক ও আদর্শিক দিক নিয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও বিশিষ্টজনেরা এই আদর্শিক দিকটি জোরালোভাবে তুলে ধরেছেন।
ইসলামী মূল্যবোধের প্রতিচ্ছবি আলোচকরা উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের সমাজ ও রাজনীতিতে বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা সবসময় তাঁর নৈতিক ও ইসলামী মূল্যবোধ দ্বারা প্রভাবিত ছিল। তাঁরা বলেন, "তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেত্রী ছিলেন না, বরং ছিলেন একজন ধর্মপ্রাণ মানুষ, যার প্রতিটি সিদ্ধান্তেই মানবিক ও নৈতিক আদর্শের ছাপ সুস্পষ্ট ছিল।" তাঁর নেতৃত্বকালে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং ইসলামী রীতিনীতি ও ঐতিহ্যকে সম্মান জানানোর বিষয়টি সবসময়ই প্রাধান্য পেয়েছে।
জাতীয়তাবাদী দর্শনের মূল ভিত্তি বিএনপি নেতারা জোর দিয়ে বলেন, বেগম জিয়ার রাজনীতি ছিল জাতীয়তাবাদী চেতনার ওপর প্রতিষ্ঠিত, যেখানে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধ বিদ্যমান ছিল। তাঁর শাসনামলে ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থা এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল, যা দেশের সাধারণ মানুষের বিশ্বাসের প্রতি তাঁর অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
সততা ও চারিত্রিক আদর্শ আলোচনা সভায় উপস্থিত দলটির একজন প্রবীণ নেতা মন্তব্য করেন, “বেগম জিয়া তাঁর দল এবং অনুসারীদের সততা, দেশপ্রেম ও ধর্মীয় নৈতিকতার ওপর জোর দিতে শিখিয়েছেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান ছিল অত্যন্ত দৃঢ়, যা তাঁর ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসের প্রমাণ বহন করে।” বক্তারা তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে চলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।