দীর্ঘ ১১ মাসের নিবিড় অনুসন্ধান শেষে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভুঁইয়ার সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী (এপিএস) মোয়াজ্জেম হোসেনকে দুর্নীতির সব অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই খবরটি গণমাধ্যমে প্রকাশের পরপরই রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্ন শুক্রবার (৬ মার্চ) দিবাগত মধ্যরাতে এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ তার ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি মূলত সমালোচকদের উদ্দেশ্যে একটি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। তিনি লিখেছেন, "এনসিপির বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে যেসব দুর্নীতির অভিযোগ আনা হচ্ছে, তার মধ্যে এখন পর্যন্ত কোনটি প্রমাণিত হয়েছে?"
জনসাধারণের প্রতিক্রিয়া হাসনাত আবদুল্লাহর এই স্ট্যাটাসটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অনেক অনুসারী তার এই অবস্থানের প্রশংসা করেছেন। একজন মন্তব্যকারী লিখেছেন, সত্যের পথে থাকলে জনগণের সমর্থন পাওয়া যাবে এবং গতানুগতিক রাজনীতি থেকে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নেবে। অন্য এক ব্যবহারকারী তরুণ নেতৃত্বের মাধ্যমে রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।
মোয়াজ্জেম হোসেনের দাবি ও দুদকের সিদ্ধান্ত এর আগে মোয়াজ্জেম হোসেন নিজের ফেসবুক পোস্টে জানান যে, দুদকের প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে আনা ৩১১ কোটি টাকার তদবির-বাণিজ্যের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। তিনি দাবি করেন, ৫ আগস্টের পর দায়িত্ব পালনকালে অনৈতিক সুবিধা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়েছে।
দুদকের অনুসন্ধান চলাকালীন তিনি ও তার পরিবার চরম মানসিক ও সামাজিক হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন মোয়াজ্জেম। এমনকি অন্যের বাড়িকেও তার সম্পদ হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে তিনি জানান। শেষ পর্যন্ত দুদকের চূড়ান্ত নথিতে তাকে নির্দোষ ঘোষণা করা হয়েছে।