টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের অন্তিম লড়াইয়ে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে কাল মাঠে নামবে স্বাগতিক ভারত ও নিউজিল্যান্ড। টানা চতুর্থবারের মতো কোনো আইসিসি ইভেন্টের ফাইনালে উঠে ভারত এখন বিশ্বজয়ের স্বপ্নে বিভোর। দেশের মাটিতে এই মেগা ফাইনালে গ্যালারিতে ভিআইপি অতিথিদের উপস্থিতির কথা থাকলেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আসা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
অনিশ্চিত নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতি ২০২৩ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে আহমেদাবাদে উপস্থিত থেকে ক্রিকেটারদের উৎসাহ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে রোববারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে তাকে দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। বিভিন্ন সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা এবার একেবারেই ক্ষীণ।
ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাব প্রধানমন্ত্রীর স্টেডিয়ামে উপস্থিত না থাকার পেছনে বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বৈশ্বিক এই সংকটময় মুহূর্তে দেশের নজর এবং সরকারি কার্যক্রমের অগ্রাধিকার ভিন্ন দিকে থাকায় মোদি হয়তো ক্রিকেট মাঠে সময় দিতে পারবেন না বলে ধারণা করা হচ্ছে।
টানা চতুর্থ ফাইনাল ও ভারতের প্রস্তুতি গত দুই বছরে আইসিসি ইভেন্টগুলোতে অবিশ্বাস্য ধারাবাহিকতা দেখিয়েছে ভারতীয় দল। ডব্লিউটিসি ফাইনাল থেকে শুরু করে ওয়ানডে বিশ্বকাপ এবং এখন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ—টানা চতুর্থবারের মতো ফাইনালের মঞ্চে তারা। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এই ম্যাচে ভারতকে ফেভারিট মানছেন বিশ্লেষকরা। আহমেদাবাদের ঘরের মাঠে সমর্থকদের গগনবিদারী চিৎকারের সামনে কিউইদের হারানোই এখন টিম ইন্ডিয়ার প্রধান লক্ষ্য।
আহমেদাবাদে সাজ সাজ রব ম্যাচটিকে কেন্দ্র করে আহমেদাবাদে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে। গ্যালারিতে দেশের নামী-দামী ব্যক্তিত্বদের সমাগম ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী না থাকলেও কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অনেক সদস্য এবং ক্রীড়া জগতের মহাতারকারা মাঠে উপস্থিত থাকতে পারেন।