রাজধানীর আদাবর থানা এলাকা থেকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৩০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবুল হাসেম ওরফে হাসুকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপি। গত জুলাই মাসে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালীন ঘটা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
গ্রেপ্তারের বিস্তারিত তথ্য ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার জুয়েল রানা গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বৃহস্পতিবার আদাবর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়। বর্তমানে তিনি থানায় রয়েছেন। জুলাই হত্যা মামলা ছাড়াও হাসুর বিরুদ্ধে একাধিক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে, যেগুলোতে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে।
দীর্ঘদিনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্র এবং স্থানীয় তথ্যানুসারে, কাউন্সিলর আবুল হাসেম ওরফে হাসু আদাবর ও শ্যামলী এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন। ২০০২ সালে প্রথমবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তিনি নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী গড়ে তোলেন। তার বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় জমি দখল, চাঁদাবাজি এবং মাদক কারবারের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।
জমি ও ফ্ল্যাট দখল স্থানীয় অভিযোগ অনুযায়ী, হাসুর ক্যাডার বাহিনী আদাবর ও শ্যামলী এলাকায় অর্ধশতাধিক ব্যক্তিগত প্লট এবং ফ্ল্যাট জোরপূর্বক দখল করেছে। এমনকি সরকারি খাস জমিও তার দখল থেকে মুক্ত থাকেনি। দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে এসব কর্মকাণ্ড চালালেও তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খোলার সাহস পেত না। জুলাই হত্যাকাণ্ডের পর তার বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।