ঘরের মাঠে রোববার রাতে মাদ্রিদ ডার্বিতে পূর্ণ শক্তি নিয়ে মাঠে নামে রিয়াল মাদ্রিদ। তবে ম্যাচের শুরুটা তাদের অনুকূলে ছিল না। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের এই ম্যাচে শেষ পর্যন্ত স্নায়ুযুদ্ধে জয়ী হয় স্বাগতিকরাই।
শুরুতে অ্যাতলেটিকোর চমক ম্যাচের প্রথম থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। তবে ৩৩তম মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ। আদেমোলা লুকম্যানের চমৎকার এক গোলে পিছিয়ে পড়ে রিয়াল। প্রথমার্ধের বাকি সময় চেষ্টা করেও সমতায় ফিরতে পারেনি গ্যালাকটিকোরা।
বিরতির পর রিয়ালের প্রত্যাবর্তন দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমেই বদলে যায় রিয়ালের খেলার ধরন। ৫২তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে ১-১ সমতায় ফেরান ভিনিসিউস জুনিয়র। এর মাত্র তিন মিনিট পরেই (৫৫ মিনিট) ফেদেরিকো ভালভার্দের গোলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় রিয়াল মাদ্রিদ।
মোলিনার লড়াই ও ভিনিসিউসের জয়সূচক গোল পিছিয়ে পড়ে দমে যায়নি ডিয়েগো সিমিওনের শিষ্যরা। ৬৪তম মিনিটে মোলিনা এক দূরপাল্লার শটে গোল করে অ্যাতলেটিকোকে আবারও সমতায় ফেরান। তবে ৭২তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে রিয়ালকে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন ভিনিসিউস। শেষ পর্যন্ত এই ব্যবধান ধরে রেখেই মাঠ ছাড়ে তারা।
১০ জনের রিয়াল ও লুনিনের দৃঢ়তা ম্যাচের শেষ দিকে বড় ধাক্কা খায় রিয়াল মাদ্রিদ। দলের অন্যতম সেরা তারকা ভালভার্দে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় রিয়াল। তবে গোলরক্ষক লুনিনের অসাধারণ কিছু সেভ এবং রক্ষণের দৃঢ়তায় জয় নিশ্চিত হয় স্বাগতিকদের।
পয়েন্ট টেবিলের বর্তমান চিত্র এই জয়ের ফলে ২৯ ম্যাচ শেষে ৬৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে রিয়াল মাদ্রিদ। অন্যদিকে, সমান ম্যাচে ৫৭ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চতুর্থ স্থানে রয়েছে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ।